| Name | Partner | Mobile |
| Meshkat Hasan | Rising | 0170.....486 |
| Nurul Islam | Rising | 0164.....765 |

এখান থেকে জানতে পারবেন, কোন কোন পরীক্ষার মাধ্যমে মধু পরীক্ষা করে আসল-নকল চেনা যায় এবং কোন কোন পরীক্ষা করে মধু খাঁটি-ভেজাল কিছুই চেনা যায় না বা কোন পরীক্ষা গুলো সঠিক নয় এবং অকার্যকারী। বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়তে থাকুন।
আমাদের মূল যে প্রশ্ন, আমাদের সকলের যে চাওয়া, তাহলো খাঁটি বা ভেজাল মধু আমরা কি ভাবে বুঝবো? এটাই আমরা সকলে জানতে চাই। আমাদের ক্রয়কৃত মধু আসলেই খাঁটি নাকি ভেজাল?
আমি আজকে এই বিষয়টি নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। প্রথমে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলি তাহলে বিষয়টা এই ভাবে বলতে হবে
এই কথা গুলো একান্তই আমার অভিজ্ঞতা থেকে বললাম। এর বাইরে অনেকেই অনেক রকমের কথা বলতে পারেন। যেমনঃ আগুন পরীক্ষা, পানি পরীক্ষা, পিঁপড়া পরীক্ষা, ফ্রিজিং পরীক্ষা, চুন পরীক্ষা ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে প্রচলিত এই পরীক্ষা গুলোর মাধ্যমে খাঁটি বা ভেজাল মধু চেনা যায় না। আমি নিজেই এই পরীক্ষা গুলো করে দেখেছি।
এবার আমরা বিদেশি দুইজন গবেষকের মন্তব্য দেখবো। তিনারা আসলে কি বলেছেন এই মধু সম্পর্কে। নিচের এই আর্টিকেলটি সরোবর থেকে অনুপ্রাণিত
সরোবর মধু বিক্রি করে। মৌমাছির কাছ থেকে বোতলে ভরা পর্যন্ত পুরো কাজটা আমাদের চোখের সামনে হয়। মধুতে ভেজাল মেশানোর প্রশ্নই আসে না। এরপরেও মাঝে মাঝে আমাদের শুনতে মধুটা নাকি খাঁটি নয়। কীভাবে জানলেন? গুগল আর ইউটিউবের যুগে সবাই সব কিছু জানে। আপনি যদি ইউটিউবে গিয়ে honey purity test লিখে সার্চ দেন তাহলে একটা ভিডিওতে তিন তরিকায় মধুর পিউরিটি পরীক্ষা করা হয়েছেঃ
১। পানিতে ঢেলে দিলে যদি সাথে সাথে পানির তলায় জমে তাহলে আসল।
২। আগুন ধরিয়ে দিলে যদি পুড়ে যায় তাহলে আসল।
৩। বুড়া আঙুলের মাথায় দিলে যদি একটা একটা বিন্দুর মতো স্থির হয়ে থাকে তাহলে সেটা আসল।
এ ছাড়াও আরো কিছু সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ‘বৈজ্ঞানিক’ পদ্ধতির কথা আমরা শুনতে পাইঃ
১। পিঁপড়া মধু খেলে সেটা আসল।
২। মধুতে পিপড়া না ধরলে সেটা আসল।
৩। ফ্রিজে রেখে দিলে জমে না গেলে সেটা আসল।
৪। শীতকালে জমে গেলে তবেই সেটা আসল।
এ ধরণের প্রশ্ন পেতে পেতে বাধ্য হয়ে আমরা দুজন মানুষের সাথে যোগাযোগ করি – ড. যাকারি হুয়াং এবং ড. লুস এলফেইন।



কারণ, মধুর সান্দ্রতা নির্ভর করে মধুর আর্দ্রতা ওপরে। যে মধুতে পানি বেশি সেটা কম ঘন। যে মধুতে পানি কম সেটা অনেক ঘন। মরু এলাকার ফুলের মধু আর বাওড় এলাকার ফুলের মধুতে অনেক তফাত থাকে। সুন্দরবনের একদম খাঁটি মধু অনেক পাতলা হয়, আবার সরিষা ফুলের সাথে অনেক ভেজাল মেশানোর পরেও সেটাকে বেশ ঘন মনে হবে।
মধুতে সামান্য মোম মিশিয়ে দিলেই মধুটা সটান পানির তলায় চলে যাবে, জমে থাকবে। আগুন ধরিয়ে দিলে আগুন জ্বলবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই মোমটা যদি মধুতে না মিশিয়ে চিনির শিরাতে মিশিয়ে দেন, একই ফল পাবেন। আমরা অফিসে চিনির শিরা ঘন করে বানিয়ে পরীক্ষা করে দেখিয়েছি চিনির শিরা বেশি ঘন হলে সোজা তলে চলে যায়, দ্রবীভূত হয় না।
সত্যি কথা বলতে কী, খাঁটি মধু বানানোর চাপে অনেক ভালো মধু উৎপাদকরাও মধুকে প্রক্রিয়াজাত করতে বাধ্য হন। প্রক্রিয়াজাত মানে মৌমাছির তৈরি মধুকে উত্তপ্ত করে পানির পরিমাণ কমিয়ে ফেলা। দুঃখজনক হলেও, এ কাজটা করতে গিয়ে মধুর বেশকিছু পুষ্টিমান হারিয়ে যেতে পারে। এজন্য আমরা চেষ্টা করছি মানুষের মাঝে একটা সচেতনতাবোধ তৈরি করতে যে মৌমাছিদের থেকে সরাসরি পাওয়া প্রাকৃতিক মধুই সবচেয়ে ভালো, হোক সেটার দাম বেশি, হোক সেটা একটু কম ঘন।
কোনো উপায় নেই। শুধু আমাদের কাছে না, পৃথিবীর বড় বড় বিজ্ঞানীদের কাছেও নেই। অনলাইন হাতুড়েরা যেসব দেখাচ্ছে সেগুলো বাকওয়াজ ছাড়া অন্য কিছু নয়।